Search This Blog

Tuesday, January 5, 2016

ভিন্ন স্বাদের Found Footage চলচ্চিত্র “Unfriended”

Movie Name: “Unfriended” (2014)
Genre: Horror, Thriller
Director: Levan Gabriadze
Leading Caste: Heather Sossaman, Matthew Bohrer, Courtney Halverson
Country: USA
Language: English
IMDB Rating: 5.9
My Rating: 6.0


আমাদের শহুরে জীবনে অশরীরী কোন কিছুর তেমন একটা অবস্থান নেই । তাই আমরা আমাদের টিভির বা মনিটরের পর্দায় কৃত্রিম ভয়ের ঘটনা দেখে শিহরিত হতে চাই । আমিও তার ব্যতিক্রম নই । তবে বুদ্ধি হবার পর থেকে যে কটা হরর মুভি দেখেছি তার প্রায় সবগুলোই বলা যায় খুবই নিম্ন মানের । তবে কিছু ভালো মুভিও দেখেছি হরর জেনরার । সেগুলোর আলোচনা না হয় এখন বাদ রাখলাম ।

“Unfriended” মুভিটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে । হরর মুভি বলতে যা বুঝায় সেরকমই তবে ভয় পেয়ে শিহরিত হবার মতো তেমন কিছু নেই এই সিনেমায় । এটি মূলত “found footage” নির্ভর একটি সিনেমা যা আমি আগেও দেখেচি “Colverfield”, “Paranormal Acivity” বা “Dabbe” বা “Project Almanac”নামক মুভিগুলোতে । মূলত ক্যামেরায় রেকর্ড হচ্ছে এই ধরণের দৃশ্য দিয়েই যদি কোন সিনেমা বানানো হয়ে থাকে তবে তাকেই “found footage” বলে । তবে সিনেমার গল্প এবং ধারণাটি খুবই ভালো লেগেছে । প্রায় পুরো সিনেমাটিই দেখানো হয়েছে Skype এর ভিডিও স্ক্রিনে এবং কিছু দৃশ্য দৃশ্য দেখানো হয়েছে ল্যাপটপের স্ক্রিনে । এই ধারণাটা আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে এবং মূলত এটিই আমার কাছে প্রধান আকর্ষণ ছিল মুভিটি দেখার জন্য । 

সিনেমার গল্পে দেখানো হয়েছে যে কিছু বন্ধু রাতেরবেলা গ্রুপ চ্যাট করার সময় তাদের মাঝে একজন আগন্তককে দেখতে পায় । এই আগন্তক আর কেউ নয় বরং তাদেরই পরিচিত আরেক বান্ধবী যে ঠিক এক বছর আগে মারা গিয়েছে । এরপর এক এক করে ঘটতে থাকে নানা রকম আজব আজব ঘটনা এবং প্রত্যেক বন্ধুর গোপন কিছু খবর ফাঁস হতে থাকে । এবং অবতারণা করা হয় বেশ কিছু শ্বাসরুদ্ধকর দৃশ্যের । বাকিটা মুভিটি দেখলেই বুঝে যাবেন ।

হরর মুভির তুলনায় আমার কাছে মুভিটিকে বেশি থ্রিলারধর্মী মনে হয়েছে । তারপরেও অন্য আমেজের একটি হরর মুভি বলা যায় এটিকে । সুতরাং এই অন্য আমেজটি যদি অনুভব কতে চান তবে দেখে ফেলতে পারেন ২০১৪ সালের বেশ সাড়া জাগানো এই মুভিটি ।

Torrent Link: https://kat.cr/unfriended-2014-1080p-brrip-x264-yify-t11015884.html

Saturday, December 5, 2015

অ্যাকশন থ্রিলার কোরিয়ান সিনেমা The Berlin File (2013)

Original Title: “Bereullin”
English Title: “The Berlin File” (2013)
Director: Seung-wan Ryoo
Cast: Jung-woo Ha, Suk-kyu Han, Seung-beom Ryu
Genre: Action, Drama, Thriller
Country: South Korea
Language: Korean
IMDB Rating: 6.7
My Rating: 6.5


“The Berlin File” ২০১৩ সালের আকশন-থ্রিলার ঘরনার ব্যবসা সফল একটি কোরিয়ান সিনেমা । অসাধারণ অ্যাকশন এবং উত্তেজনায় ভরপুর একটি সিনেমা বলা যায় এটিকে । সিনেমার কাহিনী আবর্তিত হয়েছে বার্লিনে অবস্থানরত উত্তর এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গুপ্তচরদের নিয়ে ।

Jung-woo Ha একজন উত্তর কোরিয়ার গুপ্তচর হিসেবে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন এই সিনেমায় । সিনেমার কাহিনী শুরু হয় একটি অস্ত্রের চুক্তির দৃশ্য দিয়ে যেই খবরটা ছড়িয়ে পড়লে সিনেমার মূল কাহিনী শুরু হয় । পর্যায়ক্রমে সিআইএ এবং মোসাদও জড়িয়ে পড়ে এই ঘটনায় । তবে সেটা দর্শকদেরকেই দেখে নিতে হবে । সিনেমাটির পরতে পড়তে যেন প্যাঁচ লুকিয়ে আছে । সেটি দেখলেই বুঝতে পারবেন । সুতরাং সিনেমাটির শেষে কি হতে চলেছে সেটি জানার জন্য দেখে ফেলতে হবে সিনেমাটি ।

২০১৩ সালে মুক্তি পাবার এই সিনেমাটি প্রথম সপ্তাহে আয় করে ১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । অসংখ্য প্রশংসা কুড়িয়েছে সিনেমাটি এর অ্যাকশন এবং টানটান উত্তেরজনার জন্য সমালোচকদের কাছে গত ২০১৩ সালে । অসাধারণ চিত্রায়ন এবং আবহ সঙ্গীত আপনাকে থ্রিলার সিনেমার একটা রমরমা পরিবেশ দিতে বাধ্য । ২০১৩ সালে ২৩ টি ক্যাটাগরিতে নমিনেশন পাওয়াসহ এই সিনেমাটি জিতে নেয় মোট ৮ টি পুরস্কার ।

Torrent Link: http://kickasstorrent.proxyindex.net/berlin-file-the-2013-1080p-brrip-x264-gsftx-t7659445.html

Saturday, November 7, 2015

আধুনিক সমাজঃ যেখানে অর্থের সম্পর্ক রক্তের সম্পর্কের থেকে বড়

মূল বইঃ "Die Verwandlung"
লেখকঃ Franz Kafka
ইংরেজি বইঃ "The Metamorphosis"
ধরণঃ উপন্যাসিকা
বাংলা বইঃ “রূপান্তর”
অনুবাদঃ কবীর চৌধুরী
প্রকাশনাঃ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র

বর্তমান পুঁজিবাদী তথাকথিত আধুনিক সমাজে পারিবারিক সম্পর্কগুলো কেমন যেন ঝাপসা ঝাপসা । মনে হয় কেমন যেন উঁচু-নিচু দেয়াল তৈরি হয়ে গিয়েছে সম্পর্কগুলোর মাঝে । এই সমাজে আমাদের পারিবারিক সম্পর্কগুলোকে আমরা যা বলেই সম্বোধন করি না কেন, সেটা রক্তের সম্পর্ক হোক আর নাড়ীর সম্পর্কই হোক, সম্পর্কগুলো আসলে টিকে আছে অর্থের উপর ভিত্তি করে । যেন অর্থ নেই তো কোন সম্পর্ক নেই এমন একটা অবস্থা । Franz Kafka এর “The Metamorphosis” বইটিতে সেই দিকেই আলোকপাত করা হয়েছে বলে মনে হয় ।

বইটির গল্পটি শুরু হয়েছে এই গল্পের প্রধান চরিত্র Gregor Samsa এর ঘুম ভাঙ্গার পর থেকে । ঘুম ভেঙ্গেই সে বুঝতে পারে যে সে আর মানুষের রুপে নেই বরং একটি পতঙ্গের রুপ নিয়েছে । তার শারীরিক পরিবর্তন হয়েছে ঠিকই তবে তার মস্তিষ্ক মানুষের রুপেই রয়ে যায় এবং স্বাভাবিক মানুষের মস্তিষ্কের মতোই কাজ করতে থাকে । পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটির যদি এই অবস্থা হয় তবে কি আর সংসার চলে ? আর সংসার না চললে কি সেই ব্যক্তিটির আর গুরুত্ব থাকে পরিবারে ? এই ব্যক্তির চাকরিটিও চলে যায় তার এই বদলে যাওয়া রুপের কারণে । পরিবারের ভরণ পোষণ করা তো দূরে থাক বরং সে পরিণত হয় পরিবারের বোঝা হিসেবে । গল্পের মূল আলোচ্য বিষয় এটিই এই বইয়ের ।

তারপরেও বইটির মাঝে খুঁজে পেলাম যে, কিভাবে Gregor Samsa এর প্রতি তার অফিসকর্তা এমনকি পরিবারের সদস্যদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে যায়, কিভাবে তারা গ্রহণ করে বিষয়টিকে, কিভাবে এই ব্যক্তিটি তার সদ্য পাওয়া নতুন রুপের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেবার চেষ্টা করে । কিন্তু এতকিছুর পরেও তার পরিবারের জন্য তার যে ভালোবাসা সেটির কমতি পড়েনি ।

গল্পটির প্রধান চরিত্রের নাম Gregor Samsa, তার একমাত্র বোনের চরিত্রও উঠে এসেছে এই গল্পে যার নাম Greta Samsa এবং আরও দুটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল তাদের বাবা-মা Mr. Samsa এবং Mrs. Samsa । বইটিতে পুরো গল্পটিই বলা হয়েছে Gregor Samsa এর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে । সে যেভাবে যেটা দেখেছে সেভাবেই এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে । খুব সহজ-সরল এবং প্রাঞ্জল ভাষার একটি উপন্যাসিকা এটি । পড়তে পাঠকের একটুও সমস্যা হবার কথা নয় ।

গল্পটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রের একটি পতঙ্গে পরিণত হওয়াটি আসলে রুপক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মনে হয়েছে । একজন মানুষ যদি পরিবারের ভরণ পোষণের ক্ষমতা হারিয়ে পরিবারের বোঝা হয়ে যায়, যার দেখাশুনা করার জন্য একজনের প্রয়োজন হয় তখন সেটি আসলে আমাদের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় । সে আমাদের ভাই হোক বা বোন হোক বা বাবা-মা হোক, একটা সময় গিয়ে আমরা মনে মনে তাদের মৃত্যু ঠিকই কামনা করে থাকি । টাকার জন্য মানুষ আসলে নিজের সম্পর্কগুলোকে ভুলে যায় । আমরা ভুলে যেতে পারি এটাই প্রমাণ করে যে আমরা মানুষ । আমাদের অর্থ আয় করার রাস্তা কোনভাবে বন্ধ হয়ে যাক এটা আমরা কখনোই চাই না । আর যদি আয় বন্ধ হয়ে যাবার কোন সম্ভাবনা থাকে তবে সেগুলোকে আমরা রোধ করে থাকি । এই গল্পটিতেও এমন কিছু করুণ ঘটনা পর্যায়ক্রমে তুলে ধরা হয়েছে ।

গল্পটির যেটি আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লেগেছে সেটি হল Gregor Samsa এর কথা বলতে না পারা বা তার কথা অন্য কারো না বুঝা কিন্তু তার অন্য সকলের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতা । সে নীরবে শুনে চলে তার পরিবারের কথা, সুখ-দুঃখের কথা । সে নীরবে শুনতে থাকে তাকে নিয়ে পরিবারের চিন্তা-ভাবনা । নীরবে সেগুলো নিয়ে চিন্তা করার অনেক সময়ও সে পায় । পুরো গল্পটি শেষ করার পর লক্ষ্য করলাম যে গল্পের একদম শেষে লেখক প্রথমবারের মতো Gregor Samsa এর পরিবারে খুশির দৃশ্যের আগমন ঘটায় । এটার কারণ বুঝতে আমার বেশি সময় লাগেনি । তবে যখন কারণটি বুঝতে পারলাম তখন মনটা বিষিয়ে গেল বাস্তবতা চিন্তা করে । বাস্তবতার সম্মুখীন হওয়াটা যেমন কঠিন তেমনি বাস্তবতা সম্পর্কে পড়াও অনেক কঠিন মনে হয় ।

মূল গল্পটি লেখা হয়েছে জার্মান ভাষায় এবং বইটি প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে জার্মান ভাষাতেই । এরপরে একে একে পৃথিবীর নানান ভাষায় বইটি অনুবাদ করা হয় । বইটির একটি অনুবাদ আমাদের বাংলা ভাষাতেও রয়েছে । বাংলা অনুবাদটি করেছেন কবীর চৌধুরী এবং প্রকাশ করেছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ২০০৯ সালে । বইটির নাম “রূপান্তর” । আমি এই অনুবাদটিই পড়লাম । এই বইটি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম ভিত্তি হিসেবেও বিবেচিত হয় । বইটিতে শ্রেণী বৈষম্য, অস্তিত্ববাদ এর মতো থীমগুলো উঠে এসেছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে ।

আমরা আধুনিক যুগের মানুষ, তাই আধুনিক সমাজে আমাদের বসবাস । অধুনা এই সমাজে আমাদের সম্পর্কগুলোকে আমরা কি কখনো ব্যবচ্ছেদ করে দেখেছি ? মনে হয় না । বইটিতে লেখক আমাদের এই সমাজের পারিবারিক সম্পর্কগুলোকে ব্যবচ্ছেদ করে দেখিয়েছেন । বইটি পড়লে আপনি নিজেও আপনার সাথে সম্পর্কিত সম্পর্কগুলোর ব্যবচ্ছেদ করার একটা ধারণা পেয়ে যে যাবেন না তা কে বলতে পারে ।

Friday, October 30, 2015

Deranged: মহামারী নিয়ে আরও একটি অসাধারণ কোরিয়ান চলচ্চিত্র

এক নজরে "Deranged" (2012)
***************************
Original Title: “Yeongasi”
English Title: “Deranged” (2012)
Leading Cast: Kim Myung-min, Kim Dong-wan, Moon Jung-hee, Lee Ha-nui
Genre: Drama, Thriller
Country: South Korea
Language: Korean
IMDB Rating: 6.3
My Rating: 7.0
***************************


পরিচালক  Jeong-woo Park তাঁর “Deranged” সিনেমায় এমনই এক মহামারীর চিত্র তুলে ধরেছেন যার দ্বারা একবার সংক্রমিত হলে চিকিৎসা ছাড়া রোধ করার কোন উপাই নেই । আপনি নিয়ন্ত্রণ হারাবেন নিজের শরীরের, মস্তিষ্কের এবং আপনার সর্বশেষ পরিণাম হবে মৃত্যু । মৃত্যু হবে পানিতে ডুবে নিজে না চাইলেও নতুবা আপনার মুখ অথবা গুহ্যদ্বার দিয়ে বেরিয়ে আসবে এক অদেখা পরজীবী যা আপনার শরীরে বাসা বেঁধে আছে গত ৪৮ ঘণ্টা ধরে ।

হ্যাঁ, বলছি ২০১২ সালের ব্যবসা সফল কোরিয়ান সিনেমা “Deranged” এর কথা । সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে মহামারী নিয়ে । এক প্রকার পরজীবী যা নদী, পুকুর, লেক বা যে কোন জলাশয় থেকে আপনার শরীরে প্রবেশ করে আপনার পাকস্থলীতে অবস্থান করে আপনার শরীরের সকল পুষ্টি চুষে নিবে । এই পরজীবী যখন বয়সের দিক থেকে পূর্ণতা পাবে তখন আপনার ক্ষুধা কমে যাবে এবং তৃষ্ণা বেড়ে যাবে এবং আপনি এক সময় নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারাবেন এবং পানিতে ঝাঁপ দিয়ে মারা যাবেন । কারণ এই পরজীবী মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে । বলা যায় এই হল মূল ঘটনা সেই সিনেমার ।

সিনেমায় দেখানো হয়েছে যে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের কাছে এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই । কিন্তু একটি ঔষধ কোম্পানির ঔষধ খেয়ে একজন সুস্থতা লাভ করে । সিনেমায় দুই ভাইয়ের গল্প দেখানো হয়েছে । এক ভাই ঐ ঔষধ কোম্পানির প্রাক্তন গবেষক এবং আরেক ভাই পুলিশ কর্মকর্তা । একজন নিজের পরিবারকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠে । আর পুলিশ কর্মকর্তা ভাইটি মরিয়া হয়ে উঠে ভাইয়ের সাথে তার ভেঙ্গে যাওয়া সম্পর্ক ঠিক করতে এবং এই মহামারীর রহস্য উদ্ধার করতে ।
ঘটনাচক্রে বুঝতে পারবেন যে এই পরজীবী পানিতে ছড়ানো হয়েছে পূর্ব পরিকল্পনা করে । আর যদি সেই ধারণা করেই সিনেমাটি দেখতে থাকেন তবে ভুল করবেন । কারণ পরিচালক আপনার এই ধারণাকে পরিবর্তন করে আপনাকে বেশ কয়েকবার দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ফেলে দিবে যে আপনি হয়তো ভেবেই নিবেন যে দেখি আসলে কি হয় বা কাহিনী কোন দিকে মোড় নেয় ।

সিনেমাটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন Jeong-woo Park । এবং সিনেমার প্রধান প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন Kim Myung-min, Kim Dong-wan, Moon Jung-hee, Lee Ha-nui প্রমুখ । সিনেমাটি মুক্তি পাবার প্রথম দিনেই আয় করেছে রেকর্ড পরিমাণ যা “The Amazing Spider Man” কেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়ায় । একটানা পাঁচ সপ্তাহ চলার পর সিনেমাটির আয় গিয়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩২০ বিলিয়ন ওয়ানে (কোরিয়ান মুদ্রা) । সিনেমাটি ২০১২-১৩ সালে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে নমিনেশন পেলেও পুরস্কার জিতে নেয় দুটিতে । এই সিনেমার সাথে ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া “The Flu” সিনেমার যথেষ্ট সাদৃশ্য খুঁজে পাবেন । 

সিনেমাটি দেখার সময় মনে হবে সমস্যা সমাধানের দিকে কাহিনী এক পা এগিয়ে যাচ্ছে তো আবার দুই পা পিছিয়ে আসছে । তাহলে কি হবে সমাধান ? আক্রান্ত লোকগুলো কি বেঁচে যাবে নাকি মারা যাবে ? তাদের আত্মীয়-স্বজন কি চোখের সামনেই তাদের মৃত্যুর দিকে বিনা বাঁধায় চলে যেতে দিবে নাকি প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ? কিভাবে ছড়াল এই পরজীবী, কেনই বা ছড়াল, কারা ছড়াল ? তাহলে ভবিষ্যৎ কি দক্ষিণ কোরিয়ার জনগণের ? এই সকল প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য দেখে ফেলতে হবে আপনাকে এই সিনেমাটি ।
 
Torrent Link: https://kat.cr/deranged-2012-bluray-1080p-5-1ch-x264-smallandhd-t9150763.html

Sunday, October 25, 2015

Cold Eyes: পর্যবেক্ষণ যখন পেশা, শখ এবং শিল্প

এক নজরে "Cold Eyes"
*************************
Original Title: “Gamsijadeul”
English Title: “Cold Eyes” (2013)
Genre: Action, Crime
Country: South Korea
Language: Korean
IMDB Rating: 7.2
My Rating: 7


২০১৩ সালের আরও একটি ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র “Cold Eyes” । সিনেমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অনেক আগ্রহ নিয়ে দেখলাম । বেশ ভালোই লাগল সিনেমাটি ।

সিনেমাটির শুরুটা আমার কাছে বেশ রোমাঞ্চকর ছিল । কারণ পরিচালক যে আসলে কি দেখাতে চাচ্ছে তাই বুঝে উঠা মুশকিল হয়ে পড়েছিল । তবে বেশ কিছুক্ষন দেখার পর বুঝতে পারলাম যে একটা ব্যাংক ডাকাতি হতে চলেছে । সিনেমার পরবর্তী অংশে আরও বুঝা যাবে যে এটি আসলে শুধু সাধারণ ব্যাংক ডাকাতি ছিল না বরং ঠাণ্ডা মাথার কিছু ফ্রিল্যান্সার সন্ত্রাসীর কাজ ছিল যারা বিভিন্ন চুক্তিতে কাজ করে পুলিশ, ক্যামেরাসহ সবকিছুর নজর এড়িয়ে ।

অন্যদিকে আরও একটি গ্রুপ থাকে যারা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করে তবে এদের কাজ হল নজর রাখা এবং বড় প্রৌফাইলের সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করা । পুরো সিনেমা জুড়ে এই দুই গ্রুপের মধ্যে বলা যায় এক প্রকার লুকোচুরি খেলা চলতে থাকে । দেখার বিষয় হল খেলার শেষ পর্যায়ে কে জিতে আর কিভাবে জিতে ।

সিনেমাটি তৈরি করা হয়েছে ২০০৭ সালের চীনের “Eye in the Sky” সিনেমার উপর ভিত্তি করে । সিনেমায় সারভেইলান্স দলের নানা কৌশল, দক্ষতা এবং কর্মপদ্ধতি তুলে ধরেছেন পরিচালক Ui-seok Jo এবং Byung-seo Kim । সিনেমার অন্যান্য প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন Sol Kyung-gu, Jung Woo-sung, Han Hyo-joo প্রমুখ । এদের মধ্যে Sol Kyung-gu “Hope” সিনেমায় বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন । এখানেও তার অসাধারণ অভিনয় দেখা গিয়েছে ।

হালকা থ্রিলারধর্মী সিনেমা বলা যায় এটিকে । যদিও সিনেমাটি আমার কাছে বেশ ধীর গতির মনে হয়েছে তবে বাস্তববাদী গল্পের কারণে হয়তো গতির এই কমে আসা । সিনেমার শেষ পর্যায়ে একটু হতাশাও কাজ করেছে বলা যায় । তবে লক্ষ্য করেছি যে, আমার দেখা সব সিনেমা এবং পঠিত গল্পে যখন বাস্তবতা উঠে আসে তখন প্রত্যেক ক্ষেত্রেই বলা যায় আমি হতাশ হয়ে থাকি । তবে এটাও সত্য যে এই বাস্তবতা সিনেমায় তুলে ধরাও পরিচালকের জন্য বেশ বড় একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় । সেদিক থেকে বলবো এই সিনেমার দুই পরিচালক সার্থক ।

Torrent Link: https://kat.cr/cold-eyes-2013-brrip-xvid-korean-sam-etrg-t8289793.html