"Bandit Queen" (1994)
Genre: Biography, Crime, Drama
Language: Hindi
Country: India
IMDB Rating: 7.6
Rotten Tomatoes Meter: 100%
My Rating: 8.5
আমি জানি আমার এই রিভিউটা পড়লে হয়তো অনেকের মনে হতে পারে যে আমি বেশ রাগত স্বরে লিখছি । তবে অরুন্ধতী রায়ের এই সিনেমা নিয়ে একটি প্রবন্ধ আমাকে এইভাবে লিখতে অনুপ্রাণিত করল । আর এই সিনেমার পরিচালক শেখর কাপুর বলেই দিয়েছেন যে উনি সত্য এবং নান্দনিকতা এ দুটির মাঝে থেকে সত্যকেই বেছে নিয়েছেন । কারণ সত্যের মাঝে বিশুদ্ধতা আছে ।
এই সিনেমাটি দেখে আমার মনে যে প্রশ্নটি বার বার বেজে উঠেছে তা হল-
"একটি মেয়েকে কতজন মিলে কতবার ধর্ষণ করলে সমাজের পুরুষদের যৌন ক্ষুধা মিটবে?"
শিশুকাল এমন একটি বয়স যে বয়সে একটি বাচ্চার ছেলে বা মেয়ে বলে পরিচয় গড়ে উঠে না । কিন্তু এই শিশুটি যদি মেয়ে শিশু হয় তবে এই শিশুকাল থেকেই শুরু হয় ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন এবং যৌন অত্যাচার । "Bandit Queen" সিনেমায় সেরকমই কিছু দেখানো হয়েছে ।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে একজন মেয়ে কার বা কাদের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকে ? উত্তরটা অনেকের জন্য একটু অবাক করা হতে পারে তবে ধর্ষণের সংজ্ঞায় এটাই সত্য যে একজন নারী সবচেয়ে বেশী ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকে তার স্বামীর কাছে । সমাজ বা ধর্ম একজন পুরুষ এবং নারীকে বিয়ের মাধ্যমে যৌন মিলনের অনুমতি দিয়ে থাকে কিন্তু কখনোই স্বামী বা স্ত্রীর অর্থাৎ উভয়ের অনুমতি ব্যতিত সেটির অনুমতি দেয় না । তবে এগুলো সবই নীতিকথা নয়তো বইয়ের কথা । বাস্তবতা আলাদা । তার একটা জলজ্যান্ত প্রমাণ আপনি পেয়ে যাবেন এই সিনেমায় ।
কিছুদিন আগেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের "অভাগীর স্বর্গ" নামক ছোট গল্পটি পড়লাম । যার মূল উপজীব্য বিষয় ছিল হিন্দু সমাজের নিচু জাত এবং নিচু জাত হবার কারণে তাদের পরিণাম ।
এই সিনেমাটি দেখে প্রশ্ন উঠে যে আসলেই কি নিচু জাতে জন্ম নেওয়া অপরাধ ? যদি হয়ে থাকে তবে তার জন্য কেন আমরা শাস্তি পাবো ? নিচু জাতের ঘরে তো জন্ম ঈশ্বরই দিয়েছেন । তবে এই নিচু জাতের মানুষগুলোর উপর অত্যাচার করে উঁচু জাতের মানুষগুলো তাদের ঈশ্বরকেই কি অপমান বা ছোট করছে না ?
একজন নিচু জাতের মেয়ে বলে কি সেই মেয়ের কোন মর্যাদা নেই ? যখন তখন তাকে যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে ধর্ষণ করা যাবে, অত্যাচার করা যাবে ? আর যদি সেই মেয়ের বাবা কোন কারণে গরীব হয়ে থাকে তাহলে তো কথায় নেই । ঐ মেয়ের জন্ম নেওয়া যে পাপ হয়েছে সেটা সমাজে তার প্রতি পদক্ষেপে বুঝিয়ে দেই । এমতাবস্থায় একজন গরীব মানুষ কি করতে পারে ? রাষ্ট্রের কাছে বা সেই সমাজের কাছেই বিচার চাইতে পারে । তবে সমাজের বিচার ব্যবস্থা শুধুমাত্র উঁচু বর্ণের মানুষের জন্য । পুলিশ আছে তবে সেখানে আছে টাকার খেলা এবং তারা আছে শুধু উঁচু বর্ণের লোকদের রক্ষা করতে ।
সন্ত্রাসী আসলে এমনি এমনি তৈরি হয় না । সমাজ এবং রাষ্ট্রের নানান অনাচার এবং অত্যাচার এদের তৈরি করে থাকে । কিন্তু এরা যখন এই সকল অত্যাচার সহ্য করে সন্ত্রাসী হিসেবে নিজেদের প্রতিশোধ নিতে আসে তখন সেই সমাজ বা রাষ্ট্রই আবার এদের বিচার করে, এদের শাস্তি দেয় । কিন্তু এর জন্য কি আসলে সমাজ বা রাষ্ট্রেরই শাস্তি পাওয়া উচিৎ নয় ?
আমরা সবাই অনেক কষ্ট, হতাশা নিয়েই জীবনে বেঁচে থাকি এবং মাঝে মাঝে আমাদের এই জীবনকে নিয়ে আমরা নিজেরাও অতিষ্ঠ হয়ে যায় এবং মৃত্যু কামনা করি । কিন্তু এই সিনেমাটি দেখলে আপনার মনে হবে যে আমরা ঢের সুখে আছে । ফুলন দেবীর কষ্ট দেখলে আপনার চোখ দিয়ে পানি না বের হয়ে আসুক কিন্তু আপনার মন কেঁদে উঠবে । আবার আরও একটি প্রশ্ন জেগে উঠবে এতো কষ্ট এবং অত্যাচারের পরেও কিভাবে একজন মানুষ বেঁচে থাকে, কিভাবে সংগ্রাম করে যায় বেঁচে থাকার ? ফুলন দেবী প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছে সহনশীলতা, ধৈর্যশীলতা এবং প্রচেষ্টা পারে মানুষকে পাল্টে দিতে ।
সিনেমাটি যদি দেখেন তবে আপনার মনেও এই ধরণের প্রশ্নগুলো জেগে উঠতে পারে । পুরো সিনেমা দেখার পরে এখন আমার আফসোস হচ্ছে যে কেন আরও আগে এই সিনেমাটি দেখলাম না । এই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে ভারতের বিখ্যাত ( উঁচু বর্ণের হিন্দুদের কাছে কুখ্যাত ) ফুলন দেবীর জীবনী নিয়ে । যিনি দুবার নির্বাচিত হয়েছিলেন ভারতীয় লোকসভায় এবং ২০০১ সালে হিন্দু উঁচু বর্ণের কিছু মানুষের হাতেই খুন হন । তার ছোটবেলা থেকে ধীরে ধীরে কিভাবে তিনি ফুলন দেবী হয়ে উঠলেন সেই ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায় ।
সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সীমা বিশ্বাস, নির্মল পাণ্ডে, মানজ বাজপে, রাজেশ বিবেক প্রমুখ । ফুলন দেবীর চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন সীমা বিশ্বাস । আর এই অসাধারণ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শেখর কাপুর । ১৯৯৪ সালে এই সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে এবং এডিনবার্গ চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় । ১৯৯৫ এবং ১৯৯৭ সালে সিনেমাটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে ৪ টি বিভাগে পুরষ্কার অর্জন করে । এর বাইরেও ১৯৯৬ সালে ৩ টি বিভাগে এই সিনেমা ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার অর্জন করে । সুতরাং সম্মাননা দেখেই বুঝা যায় যে এটি একটি অসাধারণ সিনেমা । এর বাইরেও এটি খুবই একটি সমালোচিত সিনেমা । বিশেষ করে ভারতের উঁচু এবং নিচু বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়গুলোর কাছে । এর বাইরেও ইন্টারনেটে আরও অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির সমালোচনা খুঁজে পাবেন এই সিনেমার উপর । ভারতের খ্যাতিমান লেখিকা অরুন্ধতী রায় এই সিনেমার উপর ভিত্তি করে লিখে ফেলেছেন তার চমৎকার দুটি প্রবন্ধ এবং নাম দিয়েছেন "The Great Indian Rape-Trick I" ও "The Great Indian Rape-Trick II" । আশা করি সিনেমাটি দেখলে আপনার সময় আপচয় হবে না এবং যারা ঐতিহাসিক সিনেমা বা জীবনী নিয়ে সিনেমা পছন্দ করে থাকনে তারা অসাধারণ মজা পাবেন । আর দেখে না থাকলে বলতে পারি খুব ভালো কিছু মিস করবেন ।
Torrent Link: http://katproxy.com/bandit-queen-1994-dvdrip-xvid-ac3-subs-divx-avi-english-subtit-t2199413.html
Genre: Biography, Crime, Drama
Language: Hindi
Country: India
IMDB Rating: 7.6
Rotten Tomatoes Meter: 100%
My Rating: 8.5
আমি জানি আমার এই রিভিউটা পড়লে হয়তো অনেকের মনে হতে পারে যে আমি বেশ রাগত স্বরে লিখছি । তবে অরুন্ধতী রায়ের এই সিনেমা নিয়ে একটি প্রবন্ধ আমাকে এইভাবে লিখতে অনুপ্রাণিত করল । আর এই সিনেমার পরিচালক শেখর কাপুর বলেই দিয়েছেন যে উনি সত্য এবং নান্দনিকতা এ দুটির মাঝে থেকে সত্যকেই বেছে নিয়েছেন । কারণ সত্যের মাঝে বিশুদ্ধতা আছে ।
এই সিনেমাটি দেখে আমার মনে যে প্রশ্নটি বার বার বেজে উঠেছে তা হল-
"একটি মেয়েকে কতজন মিলে কতবার ধর্ষণ করলে সমাজের পুরুষদের যৌন ক্ষুধা মিটবে?"
শিশুকাল এমন একটি বয়স যে বয়সে একটি বাচ্চার ছেলে বা মেয়ে বলে পরিচয় গড়ে উঠে না । কিন্তু এই শিশুটি যদি মেয়ে শিশু হয় তবে এই শিশুকাল থেকেই শুরু হয় ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন এবং যৌন অত্যাচার । "Bandit Queen" সিনেমায় সেরকমই কিছু দেখানো হয়েছে ।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে একজন মেয়ে কার বা কাদের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকে ? উত্তরটা অনেকের জন্য একটু অবাক করা হতে পারে তবে ধর্ষণের সংজ্ঞায় এটাই সত্য যে একজন নারী সবচেয়ে বেশী ধর্ষণের শিকার হয়ে থাকে তার স্বামীর কাছে । সমাজ বা ধর্ম একজন পুরুষ এবং নারীকে বিয়ের মাধ্যমে যৌন মিলনের অনুমতি দিয়ে থাকে কিন্তু কখনোই স্বামী বা স্ত্রীর অর্থাৎ উভয়ের অনুমতি ব্যতিত সেটির অনুমতি দেয় না । তবে এগুলো সবই নীতিকথা নয়তো বইয়ের কথা । বাস্তবতা আলাদা । তার একটা জলজ্যান্ত প্রমাণ আপনি পেয়ে যাবেন এই সিনেমায় ।
কিছুদিন আগেই শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের "অভাগীর স্বর্গ" নামক ছোট গল্পটি পড়লাম । যার মূল উপজীব্য বিষয় ছিল হিন্দু সমাজের নিচু জাত এবং নিচু জাত হবার কারণে তাদের পরিণাম ।
এই সিনেমাটি দেখে প্রশ্ন উঠে যে আসলেই কি নিচু জাতে জন্ম নেওয়া অপরাধ ? যদি হয়ে থাকে তবে তার জন্য কেন আমরা শাস্তি পাবো ? নিচু জাতের ঘরে তো জন্ম ঈশ্বরই দিয়েছেন । তবে এই নিচু জাতের মানুষগুলোর উপর অত্যাচার করে উঁচু জাতের মানুষগুলো তাদের ঈশ্বরকেই কি অপমান বা ছোট করছে না ?
একজন নিচু জাতের মেয়ে বলে কি সেই মেয়ের কোন মর্যাদা নেই ? যখন তখন তাকে যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে ধর্ষণ করা যাবে, অত্যাচার করা যাবে ? আর যদি সেই মেয়ের বাবা কোন কারণে গরীব হয়ে থাকে তাহলে তো কথায় নেই । ঐ মেয়ের জন্ম নেওয়া যে পাপ হয়েছে সেটা সমাজে তার প্রতি পদক্ষেপে বুঝিয়ে দেই । এমতাবস্থায় একজন গরীব মানুষ কি করতে পারে ? রাষ্ট্রের কাছে বা সেই সমাজের কাছেই বিচার চাইতে পারে । তবে সমাজের বিচার ব্যবস্থা শুধুমাত্র উঁচু বর্ণের মানুষের জন্য । পুলিশ আছে তবে সেখানে আছে টাকার খেলা এবং তারা আছে শুধু উঁচু বর্ণের লোকদের রক্ষা করতে ।
সন্ত্রাসী আসলে এমনি এমনি তৈরি হয় না । সমাজ এবং রাষ্ট্রের নানান অনাচার এবং অত্যাচার এদের তৈরি করে থাকে । কিন্তু এরা যখন এই সকল অত্যাচার সহ্য করে সন্ত্রাসী হিসেবে নিজেদের প্রতিশোধ নিতে আসে তখন সেই সমাজ বা রাষ্ট্রই আবার এদের বিচার করে, এদের শাস্তি দেয় । কিন্তু এর জন্য কি আসলে সমাজ বা রাষ্ট্রেরই শাস্তি পাওয়া উচিৎ নয় ?
আমরা সবাই অনেক কষ্ট, হতাশা নিয়েই জীবনে বেঁচে থাকি এবং মাঝে মাঝে আমাদের এই জীবনকে নিয়ে আমরা নিজেরাও অতিষ্ঠ হয়ে যায় এবং মৃত্যু কামনা করি । কিন্তু এই সিনেমাটি দেখলে আপনার মনে হবে যে আমরা ঢের সুখে আছে । ফুলন দেবীর কষ্ট দেখলে আপনার চোখ দিয়ে পানি না বের হয়ে আসুক কিন্তু আপনার মন কেঁদে উঠবে । আবার আরও একটি প্রশ্ন জেগে উঠবে এতো কষ্ট এবং অত্যাচারের পরেও কিভাবে একজন মানুষ বেঁচে থাকে, কিভাবে সংগ্রাম করে যায় বেঁচে থাকার ? ফুলন দেবী প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়ে গিয়েছে সহনশীলতা, ধৈর্যশীলতা এবং প্রচেষ্টা পারে মানুষকে পাল্টে দিতে ।
সিনেমাটি যদি দেখেন তবে আপনার মনেও এই ধরণের প্রশ্নগুলো জেগে উঠতে পারে । পুরো সিনেমা দেখার পরে এখন আমার আফসোস হচ্ছে যে কেন আরও আগে এই সিনেমাটি দেখলাম না । এই সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে ভারতের বিখ্যাত ( উঁচু বর্ণের হিন্দুদের কাছে কুখ্যাত ) ফুলন দেবীর জীবনী নিয়ে । যিনি দুবার নির্বাচিত হয়েছিলেন ভারতীয় লোকসভায় এবং ২০০১ সালে হিন্দু উঁচু বর্ণের কিছু মানুষের হাতেই খুন হন । তার ছোটবেলা থেকে ধীরে ধীরে কিভাবে তিনি ফুলন দেবী হয়ে উঠলেন সেই ঘটনাই তুলে ধরা হয়েছে এই সিনেমায় ।
সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সীমা বিশ্বাস, নির্মল পাণ্ডে, মানজ বাজপে, রাজেশ বিবেক প্রমুখ । ফুলন দেবীর চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন সীমা বিশ্বাস । আর এই অসাধারণ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন শেখর কাপুর । ১৯৯৪ সালে এই সিনেমাটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে এবং এডিনবার্গ চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় । ১৯৯৫ এবং ১৯৯৭ সালে সিনেমাটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারে ৪ টি বিভাগে পুরষ্কার অর্জন করে । এর বাইরেও ১৯৯৬ সালে ৩ টি বিভাগে এই সিনেমা ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার অর্জন করে । সুতরাং সম্মাননা দেখেই বুঝা যায় যে এটি একটি অসাধারণ সিনেমা । এর বাইরেও এটি খুবই একটি সমালোচিত সিনেমা । বিশেষ করে ভারতের উঁচু এবং নিচু বর্ণের হিন্দু সম্প্রদায়গুলোর কাছে । এর বাইরেও ইন্টারনেটে আরও অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির সমালোচনা খুঁজে পাবেন এই সিনেমার উপর । ভারতের খ্যাতিমান লেখিকা অরুন্ধতী রায় এই সিনেমার উপর ভিত্তি করে লিখে ফেলেছেন তার চমৎকার দুটি প্রবন্ধ এবং নাম দিয়েছেন "The Great Indian Rape-Trick I" ও "The Great Indian Rape-Trick II" । আশা করি সিনেমাটি দেখলে আপনার সময় আপচয় হবে না এবং যারা ঐতিহাসিক সিনেমা বা জীবনী নিয়ে সিনেমা পছন্দ করে থাকনে তারা অসাধারণ মজা পাবেন । আর দেখে না থাকলে বলতে পারি খুব ভালো কিছু মিস করবেন ।
Torrent Link: http://katproxy.com/bandit-queen-1994-dvdrip-xvid-ac3-subs-divx-avi-english-subtit-t2199413.html

No comments:
Post a Comment