"The God of Small Things"
লেখকঃ অরুন্ধতী রায় ।
প্রথম প্রকাশঃ ১৯৯৭ ইং ।
অর্জনঃ বুকার পুরস্কার, ১৯৯৭ ইং ।
লেখকঃ অরুন্ধতী রায় ।
প্রথম প্রকাশঃ ১৯৯৭ ইং ।
অর্জনঃ বুকার পুরস্কার, ১৯৯৭ ইং ।
আগের মতো বই পড়ার সুযোগ এখন পাই না বা বলা যায় আগের মতো বই পড়ার ধৈর্য এখন
আর আমার নেই । তারপরেও অনেকদিন সময় নিয়ে আমি এই বইটি পড়ে শেষ করলাম । পড়া
শেষ করে বলতে পারি যে সময় নষ্ট করিনি । আমি বইটির বঙ্গানুবাদ পড়েছি । আমার
কাছে দুটো বঙ্গানুবাদ আছে । তাদের মধ্যে "আবির হাসান" এর অনুবাদটি অসাধারণ
এবং চমৎকার মনে হয়েছে ।
নান্দনিকতা যে একটি লেখার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এই বইটি পড়লেই উপলব্ধি করা যায় । এই বইয়ের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে নান্দনিকতা যার ছোঁয়ায় আমাদের প্রতিদিনের দেখা খুব সাধারণ বিষয়গুলো অসাধারণ হয়ে উঠেছে বইয়ের পৃষ্ঠাগুলোতে । খুবই সাধারণ একটা গল্প উঠে এসেছে বইটিতে অসাধারণ শিল্পের ছোঁয়ায় । দু'জন যমজ ভাই-বোন এবং তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু সাধারণ ঘটনা নিয়েই এই উপন্যাসটি রচিত । এই উপন্যাসে অত্যান্ত সুচারুরূপে তুলে ধরা হয়েছে সমাজের শ্রেণী বিভাজন এবং উত্তর ঔপনিবেশিকতাবাদ এবং এর প্রভাব । তুলে ধরা হয়েছে সমাজের কিছু নিয়ম যে নিয়ম অনেকের জীবনের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়ায় । আমাদের ব্যক্তি জীবনে আমরা নিজেদের সাথে এবং আমাদের সন্তানদের সাথে কিছু ভুল করে থাকি যার জন্য আমাদের প্রত্যেককে সারা জীবন চড়া মূল্য দিয়ে যেতে হয়, সেই রকম কিছু ঘটনাও এই বইয়ে খুঁজে পাওয়া যায় । সাথে আছে কিশোর-কিশোরীদের উপর গোপন যৌন নিপীড়নের দৃশ্য । একই সাথে উঠে এসেছে আমাদের পরাধীনতার বিষয়টি । আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের কাছে, পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, গোষ্ঠীর কাছে, ধর্মের কাছে, দেশের কাছে, প্রযুক্তির কাছে, ভালবাসার কাছে, যৌন ক্ষুধার কাছে এবং সর্বোপরি মৃত্যুর কাছে পরাজিত হচ্ছি এবং দাসত্ব মেনে নিচ্ছি । আমাদের ভদ্র মানুষের লেবাসের পিছনে যে ভণ্ডামি এবং কপটতা লুকিয়ে আছে এবং স্বার্থে আঘাত আসলে যে তা আমরা যে কোন মূল্যেই প্রকাশ করে থাকি তার সব কিছুই একে একে তুলে আনা হয়েছে এই উপন্যাসে ।
দেখার দৃষ্টি থাকলে অনেক কিছুই দেখা যায় আর চিন্তা করার ইচ্ছে থাকলে অনেক কিছুই চিন্তা করা যায় এবং ভাবা যায় । এই বইটি পড়ে আমার সেটিই মনে হয়েছে । এই বইটি না পড়লে আসলে এই বইটির নামকরণের সার্থকতা সম্পর্কে জানা যাবে না । বইটির এক এক পৃষ্ঠা আমাকে প্রমাণ দিয়ে দিয়েছে যে এটিই এই বইটির জন্য উপযুক্ত নাম ।
ভালবাসা, প্রেম, ভালবাসার পরিমাণ কি রকম হবে এবং ভালবাসার ব্যক্তিটি কে হবে তা নির্ধারণ করে দেয় কোন এক অদৃশ্য শক্তি যার অস্তিত্ব আমরা মেনে নেই কিন্তু চোখে দেখিনা ।
এই বিষয়গুলো আমি খুঁজে পেয়েছি এই উপন্যাসে । আমার মনে হয় না কেউ নিরাশ হবে যদি এই উপন্যাসটি নিজে পড়ে । অনেক কিছু লেখা আছে এই উপন্যাসে যা আগে বহুবার দেখেছি কিন্তু কখনো সেই বিষয়গুলো নিয়ে ভেবে দেখিনি, বিষয়গুলো যে এইভাবে বর্ণনা করা যায় সেটাও নয় । এখানেই সার্থকতা লেখকের । সেই বিসেবে অরুন্ধতী রায় একজন সার্থক ঔপন্যাসিক বলা যায় । এটি উনার লেখা প্রথম উপন্যাস যা প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের ২১ টিরও বেশি দেশে । আর নান্দনিকতা যে কতটা যাদুর মতো কাজ করে একটি লেখার ক্ষেত্রে তার প্রমাণ পেয়েছি পুরো উপন্যাস জুড়েই তবে শেষের কিছু পৃষ্ঠা আমাকে তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে এবং বুঝিয়ে দিয়েছে ।
নান্দনিকতা যে একটি লেখার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা এই বইটি পড়লেই উপলব্ধি করা যায় । এই বইয়ের পরতে পরতে লুকিয়ে আছে নান্দনিকতা যার ছোঁয়ায় আমাদের প্রতিদিনের দেখা খুব সাধারণ বিষয়গুলো অসাধারণ হয়ে উঠেছে বইয়ের পৃষ্ঠাগুলোতে । খুবই সাধারণ একটা গল্প উঠে এসেছে বইটিতে অসাধারণ শিল্পের ছোঁয়ায় । দু'জন যমজ ভাই-বোন এবং তাদের জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু সাধারণ ঘটনা নিয়েই এই উপন্যাসটি রচিত । এই উপন্যাসে অত্যান্ত সুচারুরূপে তুলে ধরা হয়েছে সমাজের শ্রেণী বিভাজন এবং উত্তর ঔপনিবেশিকতাবাদ এবং এর প্রভাব । তুলে ধরা হয়েছে সমাজের কিছু নিয়ম যে নিয়ম অনেকের জীবনের জন্যই কাল হয়ে দাঁড়ায় । আমাদের ব্যক্তি জীবনে আমরা নিজেদের সাথে এবং আমাদের সন্তানদের সাথে কিছু ভুল করে থাকি যার জন্য আমাদের প্রত্যেককে সারা জীবন চড়া মূল্য দিয়ে যেতে হয়, সেই রকম কিছু ঘটনাও এই বইয়ে খুঁজে পাওয়া যায় । সাথে আছে কিশোর-কিশোরীদের উপর গোপন যৌন নিপীড়নের দৃশ্য । একই সাথে উঠে এসেছে আমাদের পরাধীনতার বিষয়টি । আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের কাছে, পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, গোষ্ঠীর কাছে, ধর্মের কাছে, দেশের কাছে, প্রযুক্তির কাছে, ভালবাসার কাছে, যৌন ক্ষুধার কাছে এবং সর্বোপরি মৃত্যুর কাছে পরাজিত হচ্ছি এবং দাসত্ব মেনে নিচ্ছি । আমাদের ভদ্র মানুষের লেবাসের পিছনে যে ভণ্ডামি এবং কপটতা লুকিয়ে আছে এবং স্বার্থে আঘাত আসলে যে তা আমরা যে কোন মূল্যেই প্রকাশ করে থাকি তার সব কিছুই একে একে তুলে আনা হয়েছে এই উপন্যাসে ।
দেখার দৃষ্টি থাকলে অনেক কিছুই দেখা যায় আর চিন্তা করার ইচ্ছে থাকলে অনেক কিছুই চিন্তা করা যায় এবং ভাবা যায় । এই বইটি পড়ে আমার সেটিই মনে হয়েছে । এই বইটি না পড়লে আসলে এই বইটির নামকরণের সার্থকতা সম্পর্কে জানা যাবে না । বইটির এক এক পৃষ্ঠা আমাকে প্রমাণ দিয়ে দিয়েছে যে এটিই এই বইটির জন্য উপযুক্ত নাম ।
ভালবাসা, প্রেম, ভালবাসার পরিমাণ কি রকম হবে এবং ভালবাসার ব্যক্তিটি কে হবে তা নির্ধারণ করে দেয় কোন এক অদৃশ্য শক্তি যার অস্তিত্ব আমরা মেনে নেই কিন্তু চোখে দেখিনা ।
এই বিষয়গুলো আমি খুঁজে পেয়েছি এই উপন্যাসে । আমার মনে হয় না কেউ নিরাশ হবে যদি এই উপন্যাসটি নিজে পড়ে । অনেক কিছু লেখা আছে এই উপন্যাসে যা আগে বহুবার দেখেছি কিন্তু কখনো সেই বিষয়গুলো নিয়ে ভেবে দেখিনি, বিষয়গুলো যে এইভাবে বর্ণনা করা যায় সেটাও নয় । এখানেই সার্থকতা লেখকের । সেই বিসেবে অরুন্ধতী রায় একজন সার্থক ঔপন্যাসিক বলা যায় । এটি উনার লেখা প্রথম উপন্যাস যা প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের ২১ টিরও বেশি দেশে । আর নান্দনিকতা যে কতটা যাদুর মতো কাজ করে একটি লেখার ক্ষেত্রে তার প্রমাণ পেয়েছি পুরো উপন্যাস জুড়েই তবে শেষের কিছু পৃষ্ঠা আমাকে তা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে এবং বুঝিয়ে দিয়েছে ।

No comments:
Post a Comment