মূল বইঃ "L’Étranger" (French)
ইংরেজি অনুবাদঃ "The Outsider" by Joseph Laredo
লেখকঃ Albert Camus
ধরনঃ উপন্যাসিকা
প্রথম প্রকাশঃ ১৯৪২ ইং
শুনতে হয়তো সত্যি অবাক লাগে যে সত্য বলা অপরাধ । তাও যদি সত্য বলার অপরাধে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তবে বিষয়টিকে কিভাবে দেখব আমরা ?
কিন্তু এটাই সত্য যে আমাদের সমাজে, আমাদের বিচার ব্যবস্থায় সত্য বলাটা অপরাধ । নিজের মনের সত্য অনুভূতি প্রকাশ করা অপরাধ । নিজেকে সমাজের সাথে মানিয়ে নিতে না পারাটা অপরাধ । ঠিক এই রকমই ঘটনা ঘটে যায় এই গল্পের প্রধান চরিত্র Meursault এর জীবনে ।
Meursault মায়ের মৃত্যুতে কাঁদেনি কারণ তার কান্না পায়নি । সে লোক দেখানো কান্না কাঁদেনি । সে প্রেম করেছে নিজের মতো । মা মারা গেলে যে প্রেম করা যাবে না বা বিনোদন করা যাবে না এই ধরণের আবেগ তার মধ্য কাজ করেনি এবং সে সেই সত্যটাই প্রকাশ করেছে । তাকে যখন প্রশ্ন করেছে তার প্রেমিকা যে সে তাকে ভালবাসে কি না বা বিয়ে করবে কি না তখন Meursault এর উত্তর ছিল বিষয়টা সেরকম না এবং সে বিয়ে করতে পারে যদি তার প্রেমিকা চায় । তার নিজের কোন ইচ্ছে ছিল না এবং সে সেটাই প্রকাশ করে । সে খুন করে কিন্তু তার খুন করার কোন কারণ ছিল না এবং সে শাস্তি পেতে প্রস্তুত ছিল কিন্তু আদলতের মাথা ব্যাথার কারণ তখনই সে হয়ে উঠে যখন আদালত জানতে পারে যে তার খুন করার পিছনে কোন কারণ নেই ।
গল্পের শুরুটা শুরু হয় মায়ের মৃত্যু সংবাদের মাধ্যমে যেখানে Meursault নিজেও জানে না যে আসলে তার মা ঠিক কবে মারা গিয়েছে গতকাল নাকি গত পরশু । কিন্তু এখানেই Meursault এর সমস্যার শেষ না । মায়ের মৃত্যু তাকে তেমন নাড়া দেয় না । সে মায়ের মুখ শেষ বারের মতো দেখতেও চায় না । মায়ের লাশের পাশে বসেই দিব্যি সিগারেট আর কফি খেয়ে সারা রাত পার করে দেয় । গোরস্থানে নেবার পথে তার মায়ের কথা মনে পড়ে না বরং তার কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠে অসহ্য গরমের বিষয়টি যেন মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হলে সে মুক্তি পায় । অবশেষে তাও সম্পন্ন হয় ।
Meursault ফিরে আসে তার নাগরিক জীবনে । তার পরিচিত অফিসে । প্রাক্তন অফিস সহকারীর সাথে প্রেম শুরু হয়ে যায় । জীবন এগিয়ে চলে জীবনের গতিতে মায়ের মৃত্যুর ঘটনাকে পেছনে ফেলে ।
যখন Meursault এর প্রতিবেশী তার কাছে সাহায্য চায় চিঠি লিখে দেবার এবং থানায় গিয়ে তার পক্ষে সাফাই গাওয়ার তখনও Meursault এর অনুভূতি ছিল আলাদা । সে মনে করে যে তার চিঠি লিখে দিতে বা থানায় গিয়ে সাফাই না গাওয়ার কোন কারণ নেই । যেহেতু কোন কারণ নেই সেহেতু সে সব রকম সাহায্যই করে থাকে । গল্পের ধারাবাহিকতায় Meursault জড়িয়ে পরে একটি খুনের ঘটনায় এবং গ্রেফতার হয় । এখান থেকেই মূলত আসল গল্পটি শুরু হয় এবং আশা করি সেই আসল মজাটি পাঠকরা নিজে পড়েই উপভোগ করবেন ।
এই গল্পের বইটি দুইটি অংশে বিভক্ত । প্রথম অংশে বর্ণনা করা হয়েছে গ্রেফতার হবার আগের ঘটনা এবং পরের অংশে রয়েছে গ্রেফতারের পরের ঘটনা, জেল এবং আদালতের বিভিন্ন কাহিনী এবং বর্ণনা । বইটির প্রথম অংশ থেকে দ্বিতীয় অংশটি অনেক বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে আমার কাছে । বইটির দ্বিতীয় অংশ পড়ে আমার নিজেরও একবার জেলখানায় গিয়ে থাকার শখ জেগেছিল কিন্তু বাংলাদেশের জেলখানার অবস্থা চিন্তা করে সেই চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হয়েছে । বইয়ের দ্বিতীয় অংশের কিছু কথা না লিখলেই নয় । এই বইয়ের মজার কিছু বিষয় হল বইটি সমাজের কিছু সত্য ঘটনা তুলে ধরেছে গল্পের মাধ্যমে ।
যেমনঃ আমরা যখন বন্দি হয় তখনও আমরা নিজেদেরকে বন্দি হিসেবে ভাবতে পারি না বরং একজন মুক্ত মানুষ হিসেবেই ভাবি যার কারণে আমাদের কষ্টটা আরও বেশি বেড়ে যাই । পরিশেষে এই পৃথিবীতে আমাদের মৃত্যু হয় সামান্য কিছু বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে তা আমরা যতই চেষ্টা করি না কেন তা থেকে দূরে থাকার । আমাদের জেলখানায় বন্দি করা হয় আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেবার জন্য আর তা যদি আসলে না করা হয় তবে তো তা আর শাস্তি থাকে না । তাই না ? আরও মজার বিষয় হল আমাদের যে শাস্তি দেওয়া হয় সেই শাস্তির সাথে যদি আমরা মানিয়ে নিই তবে সেটি আর শাস্তি বলে মনে হবে না আমাদের কাছে । ঠিক সেই ঘটনায় ঘটেছে Meursault এর ক্ষেত্রে । এরকম আরও অনেক অনেক মজার মজার বিষয় লেখক তুলে ধরেছেন এই গল্পটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রের দৃষ্টি দিয়ে ।
Meursault এর জীবন পাল্টে যায় জেলখানায় যাবার পরে । কারণ জেলখানায় তার চিন্তা করার অফুরন্ত সময় থাকে হাতে । জীবনে সে যা কিছু লক্ষ্য করেনি তার অনেক কিছুই এক এক করে মনে পড়ে তার । আদালত এমন একটি জায়গা যেখানে অপরাধীদের ভাগ্য নির্ধারণ হয় । যেখানে অপরাধীরা থাকে প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় কিন্তু উকিল বা সাংবাদিকরা সেখানে এসে কুশল বিনিময় করে যেন আদালত তাদের মিলনমেলার একটি আদর্শ স্থান । এসবই উঠে এসেছে গল্পে Meursault এর বর্ণনায় ।
গল্পটি সরাসরি আঘাত হেনেছে আমাদের সমাজ এবং বিচার ব্যবস্থায় । Meursault খুন করে এবং তার জন্য সে শাস্তি পেতে রাজী থাকে কিন্তু সে অবাক হয় যে তাকে হত্যাকাণ্ডের জন্য নয় বরং সমাজের ভণ্ডামির সাথে তাল না মিলানোর জন্য এবং মিথ্যে স্বীকারোক্তি না দেবার জন্য সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় । কারণ সে যা করেছে বা বলেছে সেগুলো সমাজে বড়ই বেমানান এবং সমাজের প্রচলিত নিয়মের বাইরে । সুতরাং তা নিয়ন্ত্রণ করার মতো ক্ষমতা সমাজের নেই আর তাই সমাজের জন্য Meursault একটি হুমকি । তাই তাকে এই সমাজে আর স্থান দেওয়া সম্ভব না । সমাজ কখনোই মেনে নেয় না যা সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ।
আমাদের সমাজে Meursault এর মতো কিছু মানুষ থাকে যারা কোন কারণ ছাড়াই অনেক কাজ করে । এমনকি আমরা যারা নিজেদের স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে দাবী করি তারাও অনেক সময় অনেক কাজ করি যার কোন কারণ বা ব্যাখ্যা আমরা নিজেরাও জানতে পারি না বা বের করতে পারি না বা জানি না । এই গল্পের পুরোটাই বর্ণনা করা হয়েছে Meursault এর দেখার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে । পুরো গল্পে তার ভাবনা, ধারণা বা মতামত খুঁজে পাওয়া যাবে অনিন্দ্য সুন্দর বর্ণনায় যা যে কোন পাঠকের মনে অনেক পুরনো জিনিস নিয়ে নতুন করে চিন্তা করার খোরাক যোগাবে ।
ইংরেজি অনুবাদঃ "The Outsider" by Joseph Laredo
লেখকঃ Albert Camus
ধরনঃ উপন্যাসিকা
প্রথম প্রকাশঃ ১৯৪২ ইং
শুনতে হয়তো সত্যি অবাক লাগে যে সত্য বলা অপরাধ । তাও যদি সত্য বলার অপরাধে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় তবে বিষয়টিকে কিভাবে দেখব আমরা ?
কিন্তু এটাই সত্য যে আমাদের সমাজে, আমাদের বিচার ব্যবস্থায় সত্য বলাটা অপরাধ । নিজের মনের সত্য অনুভূতি প্রকাশ করা অপরাধ । নিজেকে সমাজের সাথে মানিয়ে নিতে না পারাটা অপরাধ । ঠিক এই রকমই ঘটনা ঘটে যায় এই গল্পের প্রধান চরিত্র Meursault এর জীবনে ।
Meursault মায়ের মৃত্যুতে কাঁদেনি কারণ তার কান্না পায়নি । সে লোক দেখানো কান্না কাঁদেনি । সে প্রেম করেছে নিজের মতো । মা মারা গেলে যে প্রেম করা যাবে না বা বিনোদন করা যাবে না এই ধরণের আবেগ তার মধ্য কাজ করেনি এবং সে সেই সত্যটাই প্রকাশ করেছে । তাকে যখন প্রশ্ন করেছে তার প্রেমিকা যে সে তাকে ভালবাসে কি না বা বিয়ে করবে কি না তখন Meursault এর উত্তর ছিল বিষয়টা সেরকম না এবং সে বিয়ে করতে পারে যদি তার প্রেমিকা চায় । তার নিজের কোন ইচ্ছে ছিল না এবং সে সেটাই প্রকাশ করে । সে খুন করে কিন্তু তার খুন করার কোন কারণ ছিল না এবং সে শাস্তি পেতে প্রস্তুত ছিল কিন্তু আদলতের মাথা ব্যাথার কারণ তখনই সে হয়ে উঠে যখন আদালত জানতে পারে যে তার খুন করার পিছনে কোন কারণ নেই ।
গল্পের শুরুটা শুরু হয় মায়ের মৃত্যু সংবাদের মাধ্যমে যেখানে Meursault নিজেও জানে না যে আসলে তার মা ঠিক কবে মারা গিয়েছে গতকাল নাকি গত পরশু । কিন্তু এখানেই Meursault এর সমস্যার শেষ না । মায়ের মৃত্যু তাকে তেমন নাড়া দেয় না । সে মায়ের মুখ শেষ বারের মতো দেখতেও চায় না । মায়ের লাশের পাশে বসেই দিব্যি সিগারেট আর কফি খেয়ে সারা রাত পার করে দেয় । গোরস্থানে নেবার পথে তার মায়ের কথা মনে পড়ে না বরং তার কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠে অসহ্য গরমের বিষয়টি যেন মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হলে সে মুক্তি পায় । অবশেষে তাও সম্পন্ন হয় ।
Meursault ফিরে আসে তার নাগরিক জীবনে । তার পরিচিত অফিসে । প্রাক্তন অফিস সহকারীর সাথে প্রেম শুরু হয়ে যায় । জীবন এগিয়ে চলে জীবনের গতিতে মায়ের মৃত্যুর ঘটনাকে পেছনে ফেলে ।
যখন Meursault এর প্রতিবেশী তার কাছে সাহায্য চায় চিঠি লিখে দেবার এবং থানায় গিয়ে তার পক্ষে সাফাই গাওয়ার তখনও Meursault এর অনুভূতি ছিল আলাদা । সে মনে করে যে তার চিঠি লিখে দিতে বা থানায় গিয়ে সাফাই না গাওয়ার কোন কারণ নেই । যেহেতু কোন কারণ নেই সেহেতু সে সব রকম সাহায্যই করে থাকে । গল্পের ধারাবাহিকতায় Meursault জড়িয়ে পরে একটি খুনের ঘটনায় এবং গ্রেফতার হয় । এখান থেকেই মূলত আসল গল্পটি শুরু হয় এবং আশা করি সেই আসল মজাটি পাঠকরা নিজে পড়েই উপভোগ করবেন ।
এই গল্পের বইটি দুইটি অংশে বিভক্ত । প্রথম অংশে বর্ণনা করা হয়েছে গ্রেফতার হবার আগের ঘটনা এবং পরের অংশে রয়েছে গ্রেফতারের পরের ঘটনা, জেল এবং আদালতের বিভিন্ন কাহিনী এবং বর্ণনা । বইটির প্রথম অংশ থেকে দ্বিতীয় অংশটি অনেক বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে আমার কাছে । বইটির দ্বিতীয় অংশ পড়ে আমার নিজেরও একবার জেলখানায় গিয়ে থাকার শখ জেগেছিল কিন্তু বাংলাদেশের জেলখানার অবস্থা চিন্তা করে সেই চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হয়েছে । বইয়ের দ্বিতীয় অংশের কিছু কথা না লিখলেই নয় । এই বইয়ের মজার কিছু বিষয় হল বইটি সমাজের কিছু সত্য ঘটনা তুলে ধরেছে গল্পের মাধ্যমে ।
যেমনঃ আমরা যখন বন্দি হয় তখনও আমরা নিজেদেরকে বন্দি হিসেবে ভাবতে পারি না বরং একজন মুক্ত মানুষ হিসেবেই ভাবি যার কারণে আমাদের কষ্টটা আরও বেশি বেড়ে যাই । পরিশেষে এই পৃথিবীতে আমাদের মৃত্যু হয় সামান্য কিছু বিষয়ে অভ্যস্ত হয়ে তা আমরা যতই চেষ্টা করি না কেন তা থেকে দূরে থাকার । আমাদের জেলখানায় বন্দি করা হয় আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নেবার জন্য আর তা যদি আসলে না করা হয় তবে তো তা আর শাস্তি থাকে না । তাই না ? আরও মজার বিষয় হল আমাদের যে শাস্তি দেওয়া হয় সেই শাস্তির সাথে যদি আমরা মানিয়ে নিই তবে সেটি আর শাস্তি বলে মনে হবে না আমাদের কাছে । ঠিক সেই ঘটনায় ঘটেছে Meursault এর ক্ষেত্রে । এরকম আরও অনেক অনেক মজার মজার বিষয় লেখক তুলে ধরেছেন এই গল্পটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রের দৃষ্টি দিয়ে ।
Meursault এর জীবন পাল্টে যায় জেলখানায় যাবার পরে । কারণ জেলখানায় তার চিন্তা করার অফুরন্ত সময় থাকে হাতে । জীবনে সে যা কিছু লক্ষ্য করেনি তার অনেক কিছুই এক এক করে মনে পড়ে তার । আদালত এমন একটি জায়গা যেখানে অপরাধীদের ভাগ্য নির্ধারণ হয় । যেখানে অপরাধীরা থাকে প্রচণ্ড দুশ্চিন্তায় কিন্তু উকিল বা সাংবাদিকরা সেখানে এসে কুশল বিনিময় করে যেন আদালত তাদের মিলনমেলার একটি আদর্শ স্থান । এসবই উঠে এসেছে গল্পে Meursault এর বর্ণনায় ।
গল্পটি সরাসরি আঘাত হেনেছে আমাদের সমাজ এবং বিচার ব্যবস্থায় । Meursault খুন করে এবং তার জন্য সে শাস্তি পেতে রাজী থাকে কিন্তু সে অবাক হয় যে তাকে হত্যাকাণ্ডের জন্য নয় বরং সমাজের ভণ্ডামির সাথে তাল না মিলানোর জন্য এবং মিথ্যে স্বীকারোক্তি না দেবার জন্য সরাসরি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় । কারণ সে যা করেছে বা বলেছে সেগুলো সমাজে বড়ই বেমানান এবং সমাজের প্রচলিত নিয়মের বাইরে । সুতরাং তা নিয়ন্ত্রণ করার মতো ক্ষমতা সমাজের নেই আর তাই সমাজের জন্য Meursault একটি হুমকি । তাই তাকে এই সমাজে আর স্থান দেওয়া সম্ভব না । সমাজ কখনোই মেনে নেয় না যা সে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না ।
আমাদের সমাজে Meursault এর মতো কিছু মানুষ থাকে যারা কোন কারণ ছাড়াই অনেক কাজ করে । এমনকি আমরা যারা নিজেদের স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে দাবী করি তারাও অনেক সময় অনেক কাজ করি যার কোন কারণ বা ব্যাখ্যা আমরা নিজেরাও জানতে পারি না বা বের করতে পারি না বা জানি না । এই গল্পের পুরোটাই বর্ণনা করা হয়েছে Meursault এর দেখার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে । পুরো গল্পে তার ভাবনা, ধারণা বা মতামত খুঁজে পাওয়া যাবে অনিন্দ্য সুন্দর বর্ণনায় যা যে কোন পাঠকের মনে অনেক পুরনো জিনিস নিয়ে নতুন করে চিন্তা করার খোরাক যোগাবে ।

No comments:
Post a Comment