চলচ্চিত্রঃ "Bol"(2011)
দেশঃ পাকিস্তান
ভাষাঃ উর্দু
ধরণঃ ক্রাইম, ড্রামা
IMDB Rating: 8.3
Rotten Tomatoes: 88%
My Rating: 9
আমার দেখা তৃতীয় কোন পাকিস্তানী সিনেমা এটি । সংখ্যার দিক থেকে এটি অনেক কমই বলা যায় । তবে মনকে নাড়া দেবার জন্য মনে না হয় বেশি সংখ্যার প্রয়োজন রয়েছে । একটি সংখ্যায় যথেষ্ট যদি তা মানসম্পন্ন হয়ে থাকে । ব্যতিক্রমধর্মী এই সিনেমাটি দেখে আমার মনেই অনেকগুলো প্রশ্ন জেগে উঠেছে । হয়তো পরিচালক Shoaib Mansoor চেয়েছিলেন এই সিনেমাটি দেখে দর্শকদের মনে এই ধরণের প্রশ্ন জেগে উঠুক । সেদিক দিয়ে বলা যায় পরিচালক সার্থক । সিনেমাটিতেও কিছু কঠিন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে সমাজ এবং ধর্মের প্রতি যার উত্তর দেওয়াটা হয়তো খুব একটা সহজ নয় আমাদের জন্য । প্রশ্নটি হল-
"সন্তানকে হত্যা করা যদি অপরাধ হয়ে থাকে তবে সন্তানকে জন্ম দেওয়া অপরাধ নয় কেন ? অবৈধ সন্তান জন্ম দেওয়া যদি অপরাধ হয়ে থাকে তবে বৈধ সন্তান জন্ম দিয়ে তাদের সঠিকভাবে মানুষ করতে না পারাটা অপরাধ নয় কেন ?"
আসলেই কঠিন প্রশ্ন । সামাজিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর তেমন ভাল কোন উত্তর আছে কি না তা আমার জানা নেই । এটি তো গেল সিনেমায় ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নের কথা কিন্তু এরপরেও আরও কিছু প্রশ্ন আমাদের মনে জেগে উঠবে এই সিনেমাটি দেখার পরেই । প্রশ্নগুলো হল-
"একটি ছেলে সন্তানের আশায় আমরা কতটি মেয়ের এবং মেয়ে সন্তানের জীবন নষ্ট করতে পারি ?"
"বিয়ে মানেই যদি সামাজিক এবং ধর্মীয় নিয়মে সন্তান জন্মদানের প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকে তবে আমরা কতটি সন্তান নিতে পারি ?"
"সামাজিক এবং ধর্মীয় নীতি পরিবারের কর্তা বাবাকে কি সন্তানকে হত্যা করারও অনুমতি দিয়ে থাকে ?"
"একজন হিজড়ে সন্তানের জন্ম দেওয়ার অপরাধ কি সেই সন্তানের ?"
অনেকগুলো শক্ত প্রশ্ন যার আসলে সহজ কোন উত্তর নেই, এক কথায় কোন উত্তর নেই । যায় হোক, সিনেমার গল্পটি শুরু হবে এক ফাঁসির আসামীর প্রানভিক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের দৃশ্য দিয়ে । প্রানভিক্ষা না পাওয়ায় রাষ্ট্রপতির কাছে এই আসামীটি একটি অদ্ভুত শেষ ইচ্ছে প্রকাশ করে আর তা হল সাংবাদিকদের সম্মুখে তার জীবনের গল্প বলার শেষ ইচ্ছে । রাষ্ট্রপতি আবেদন মঞ্জুর করেন এবং আসামী মেয়েটি অনুমতি পায় গল্প বলার । শুরু হয় এক দুর্বিষহ কাহিনীর যেখানে পদে পদে একটি পরিবারের মেয়ে সন্তানদের সামাজিক এবং ধর্মীয় অদৃশ্য শেকলে বন্দি করে নিরন্তর অত্যাচার করা হয় এবং এইভাবেই সিনেমার গল্পটি এগিয়ে চলে ।
এই সিনেমার প্রতিটি মুহূর্ত আপনাকে নাড়া দিতে পারে । প্রতি মুহূর্ত ছুঁড়ে দিতে পারে বিতর্কিত প্রশ্ন । পরিচালক সমগ্র সিনেমায় সমাজ এবং ধর্মকে কটাক্ষ করেছেন এর প্রচলিত নিয়মের জন্য । একজন ব্যক্তি যে কি না সম্পূর্ণ পর্যায়ের ধার্মিক কিন্তু নিজের অহংকার এবং প্রভাব বজায় রাখার জন্য সে পতিতালয়েও যায় । শর্তসাপেক্ষে সন্তান উৎপাদন করে পতিতালয়ের জন্য অর্থের বিনিময়ে । নিজ ঘরে ছেলে সন্তানের আশায় পিতা জন্ম দিয়ে দেয় প্রায় দুই হালি কন্যা সন্তানের কিন্তু তাদের পড়ালেখা বা বিনোদন বা মানসিক বিকাশের কোন ব্যবস্থা করে না । এই ছেলে সন্তানের আশায় একটি হিজড়ে সন্তানের জন্ম দেওয়ায় তার দায় পড়ে সেই সন্তানেরই উপর এবং তাকেও এর জন্য চরম মূল্য দিতে হয় । তবে কি সমাজে এবং ধর্মে এই হিজড়ে সন্তানদের জন্য কোন স্থান নেই ? তারা কি এইভাবে সমাজের বোঝা হয়েই থাকবে ? অবশ্য নিজের পরিবারই যখন তাকে বোঝা ভাবে তখন সমাজ ভাববে না কেন ? ধর্মীয় নিয়ম কি তৈরি হয়েছে সমাজের উঁচু এবং ক্ষমতাবান শ্রেণীর ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করার জন্য না কি দুর্বলকে আরও বেশি অত্যাচার করার জন্য ? এই সিনেমার কঠিন কিছু বাস্তবতা ভারাক্রান্ত করে তুলবে আপনার মনকে এই রকম আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমে।
এই সকল অত্যাচার এবং অনাচারের দৃশ্য দিয়েই যদি পরিচালক সিনেমাটি শেষ করে দিত তবে বেশ ভালই হতো । কিন্তু পরিচালক দর্শকদের মনে এমন কঠিন প্রশ্ন তৈরি করার পরে তার একটা সুন্দর সমাধানও দিয়ে দিয়েছেন সিনেমার শেষে যা সিনেমাটি পুরো দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন এবং দেখতে পারবেন তার ফলাফল ।
স্বাধীনতা এবং শিক্ষা অনেক বড় বিষয় । এই দুটো জিনিস যদি আমাদের কব্জায় থাকে তবে অনেক কিছুরই কুফল থেকে আমরা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারি । এই সিনেমাটি দেখে সেটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করা যায় । এই সিনেমা দেখে হয়তো মনে হতে পারে যে এটি পাকিস্তানের সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে তৈরি একটি কাহিনী । পাকিস্তানের সামাজিক এবং ধর্মীয় নিয়মে এমন অত্যাচার হয় এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু আমাদের দেশের বহু পরিবারের কাহিনীও মূলত উঠে এসেছে এই সিনেমায় । এই ধরনের পরিবার খোঁজার জন্য আমাদের দেশের গ্রামে যাবার প্রয়োজন নেই বরং আমাদের চারিপাশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই ধরণের অসংখ্য পরিবার যাদের মাঝে খুঁজে পাওয়া যাবে এই সিনেমায় দেখানো অনেক দৃশ্যই ।
সিনেমাটি রচনা, পরিচালনা এবং প্রযোজনা করেছেন Shoaib Mansoor । Johns Hopkins University Center for Communication Programs এর অন্তর্গত শিক্ষামূলক বিনোদন হিসেবে এই সিনেমাটির আবির্ভাব । পাকিস্তানের ধর্মীয় এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ কিভাবে মেয়েদের তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে সেটি প্রশাসন এবং অভিজাত শ্রেণীর কাছে উপস্থাপন করা ছিল এই সিনেমার অন্যতম মুখ্য উদ্দেশ্য । সিনেমাটির অন্যান্য কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন Hummaima Mallick, Manzar Sehbai, Shafqat Cheema, Atif Aslam প্রমুখ । সিনেমার খলনায়কের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন Manzar Sehbai । তার অভিনয় দেখেই মুগ্ধ হয়েছি । অসামান্য অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি পুরো সিনেমায় আপনার মধ্যে ঘৃণা জাগ্রত করতে বাধ্য করবে যা একজন খলনায়ক হিসেবে তার অভিনয়কে সার্থক করতে তুলে ।
এক কথায় বলা চলে যে “Bol” একটি অসাধারণ এবং মনোমুগ্ধকর সামাজিক সিনেমা যা পরিবারের সকলকে নিয়ে দেখা সম্ভব ।
দেশঃ পাকিস্তান
ভাষাঃ উর্দু
ধরণঃ ক্রাইম, ড্রামা
IMDB Rating: 8.3
Rotten Tomatoes: 88%
My Rating: 9
আমার দেখা তৃতীয় কোন পাকিস্তানী সিনেমা এটি । সংখ্যার দিক থেকে এটি অনেক কমই বলা যায় । তবে মনকে নাড়া দেবার জন্য মনে না হয় বেশি সংখ্যার প্রয়োজন রয়েছে । একটি সংখ্যায় যথেষ্ট যদি তা মানসম্পন্ন হয়ে থাকে । ব্যতিক্রমধর্মী এই সিনেমাটি দেখে আমার মনেই অনেকগুলো প্রশ্ন জেগে উঠেছে । হয়তো পরিচালক Shoaib Mansoor চেয়েছিলেন এই সিনেমাটি দেখে দর্শকদের মনে এই ধরণের প্রশ্ন জেগে উঠুক । সেদিক দিয়ে বলা যায় পরিচালক সার্থক । সিনেমাটিতেও কিছু কঠিন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে সমাজ এবং ধর্মের প্রতি যার উত্তর দেওয়াটা হয়তো খুব একটা সহজ নয় আমাদের জন্য । প্রশ্নটি হল-
"সন্তানকে হত্যা করা যদি অপরাধ হয়ে থাকে তবে সন্তানকে জন্ম দেওয়া অপরাধ নয় কেন ? অবৈধ সন্তান জন্ম দেওয়া যদি অপরাধ হয়ে থাকে তবে বৈধ সন্তান জন্ম দিয়ে তাদের সঠিকভাবে মানুষ করতে না পারাটা অপরাধ নয় কেন ?"
আসলেই কঠিন প্রশ্ন । সামাজিক বা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এর তেমন ভাল কোন উত্তর আছে কি না তা আমার জানা নেই । এটি তো গেল সিনেমায় ছুঁড়ে দেওয়া প্রশ্নের কথা কিন্তু এরপরেও আরও কিছু প্রশ্ন আমাদের মনে জেগে উঠবে এই সিনেমাটি দেখার পরেই । প্রশ্নগুলো হল-
"একটি ছেলে সন্তানের আশায় আমরা কতটি মেয়ের এবং মেয়ে সন্তানের জীবন নষ্ট করতে পারি ?"
"বিয়ে মানেই যদি সামাজিক এবং ধর্মীয় নিয়মে সন্তান জন্মদানের প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকে তবে আমরা কতটি সন্তান নিতে পারি ?"
"সামাজিক এবং ধর্মীয় নীতি পরিবারের কর্তা বাবাকে কি সন্তানকে হত্যা করারও অনুমতি দিয়ে থাকে ?"
"একজন হিজড়ে সন্তানের জন্ম দেওয়ার অপরাধ কি সেই সন্তানের ?"
অনেকগুলো শক্ত প্রশ্ন যার আসলে সহজ কোন উত্তর নেই, এক কথায় কোন উত্তর নেই । যায় হোক, সিনেমার গল্পটি শুরু হবে এক ফাঁসির আসামীর প্রানভিক্ষার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের দৃশ্য দিয়ে । প্রানভিক্ষা না পাওয়ায় রাষ্ট্রপতির কাছে এই আসামীটি একটি অদ্ভুত শেষ ইচ্ছে প্রকাশ করে আর তা হল সাংবাদিকদের সম্মুখে তার জীবনের গল্প বলার শেষ ইচ্ছে । রাষ্ট্রপতি আবেদন মঞ্জুর করেন এবং আসামী মেয়েটি অনুমতি পায় গল্প বলার । শুরু হয় এক দুর্বিষহ কাহিনীর যেখানে পদে পদে একটি পরিবারের মেয়ে সন্তানদের সামাজিক এবং ধর্মীয় অদৃশ্য শেকলে বন্দি করে নিরন্তর অত্যাচার করা হয় এবং এইভাবেই সিনেমার গল্পটি এগিয়ে চলে ।
এই সিনেমার প্রতিটি মুহূর্ত আপনাকে নাড়া দিতে পারে । প্রতি মুহূর্ত ছুঁড়ে দিতে পারে বিতর্কিত প্রশ্ন । পরিচালক সমগ্র সিনেমায় সমাজ এবং ধর্মকে কটাক্ষ করেছেন এর প্রচলিত নিয়মের জন্য । একজন ব্যক্তি যে কি না সম্পূর্ণ পর্যায়ের ধার্মিক কিন্তু নিজের অহংকার এবং প্রভাব বজায় রাখার জন্য সে পতিতালয়েও যায় । শর্তসাপেক্ষে সন্তান উৎপাদন করে পতিতালয়ের জন্য অর্থের বিনিময়ে । নিজ ঘরে ছেলে সন্তানের আশায় পিতা জন্ম দিয়ে দেয় প্রায় দুই হালি কন্যা সন্তানের কিন্তু তাদের পড়ালেখা বা বিনোদন বা মানসিক বিকাশের কোন ব্যবস্থা করে না । এই ছেলে সন্তানের আশায় একটি হিজড়ে সন্তানের জন্ম দেওয়ায় তার দায় পড়ে সেই সন্তানেরই উপর এবং তাকেও এর জন্য চরম মূল্য দিতে হয় । তবে কি সমাজে এবং ধর্মে এই হিজড়ে সন্তানদের জন্য কোন স্থান নেই ? তারা কি এইভাবে সমাজের বোঝা হয়েই থাকবে ? অবশ্য নিজের পরিবারই যখন তাকে বোঝা ভাবে তখন সমাজ ভাববে না কেন ? ধর্মীয় নিয়ম কি তৈরি হয়েছে সমাজের উঁচু এবং ক্ষমতাবান শ্রেণীর ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করার জন্য না কি দুর্বলকে আরও বেশি অত্যাচার করার জন্য ? এই সিনেমার কঠিন কিছু বাস্তবতা ভারাক্রান্ত করে তুলবে আপনার মনকে এই রকম আত্মজিজ্ঞাসার মাধ্যমে।
এই সকল অত্যাচার এবং অনাচারের দৃশ্য দিয়েই যদি পরিচালক সিনেমাটি শেষ করে দিত তবে বেশ ভালই হতো । কিন্তু পরিচালক দর্শকদের মনে এমন কঠিন প্রশ্ন তৈরি করার পরে তার একটা সুন্দর সমাধানও দিয়ে দিয়েছেন সিনেমার শেষে যা সিনেমাটি পুরো দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন এবং দেখতে পারবেন তার ফলাফল ।
স্বাধীনতা এবং শিক্ষা অনেক বড় বিষয় । এই দুটো জিনিস যদি আমাদের কব্জায় থাকে তবে অনেক কিছুরই কুফল থেকে আমরা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারি । এই সিনেমাটি দেখে সেটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করা যায় । এই সিনেমা দেখে হয়তো মনে হতে পারে যে এটি পাকিস্তানের সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে তৈরি একটি কাহিনী । পাকিস্তানের সামাজিক এবং ধর্মীয় নিয়মে এমন অত্যাচার হয় এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু আমাদের দেশের বহু পরিবারের কাহিনীও মূলত উঠে এসেছে এই সিনেমায় । এই ধরনের পরিবার খোঁজার জন্য আমাদের দেশের গ্রামে যাবার প্রয়োজন নেই বরং আমাদের চারিপাশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই ধরণের অসংখ্য পরিবার যাদের মাঝে খুঁজে পাওয়া যাবে এই সিনেমায় দেখানো অনেক দৃশ্যই ।
সিনেমাটি রচনা, পরিচালনা এবং প্রযোজনা করেছেন Shoaib Mansoor । Johns Hopkins University Center for Communication Programs এর অন্তর্গত শিক্ষামূলক বিনোদন হিসেবে এই সিনেমাটির আবির্ভাব । পাকিস্তানের ধর্মীয় এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ কিভাবে মেয়েদের তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে সেটি প্রশাসন এবং অভিজাত শ্রেণীর কাছে উপস্থাপন করা ছিল এই সিনেমার অন্যতম মুখ্য উদ্দেশ্য । সিনেমাটির অন্যান্য কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন Hummaima Mallick, Manzar Sehbai, Shafqat Cheema, Atif Aslam প্রমুখ । সিনেমার খলনায়কের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেন Manzar Sehbai । তার অভিনয় দেখেই মুগ্ধ হয়েছি । অসামান্য অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি পুরো সিনেমায় আপনার মধ্যে ঘৃণা জাগ্রত করতে বাধ্য করবে যা একজন খলনায়ক হিসেবে তার অভিনয়কে সার্থক করতে তুলে ।
এক কথায় বলা চলে যে “Bol” একটি অসাধারণ এবং মনোমুগ্ধকর সামাজিক সিনেমা যা পরিবারের সকলকে নিয়ে দেখা সম্ভব ।

No comments:
Post a Comment